আওরঙ্গযেব এ উপমহাদেশের অতীত ঐতিহ্যের হীরক খণ্ড। ৫১ বছর শাসনের কোমল কোলে আগলে রেখেছেন এই ভারতবাসীকে। মৃত্যুর শীতল স্পর্শে শেষ নিদ্রায় আশ্রয় নিয়েছেন হিজরী ১১১৭ সালের ২৮ শে যিলকদ। আজো লাখো মানুষের ঢল নামে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে। এই তো ২৬/১০/২০১২ তে ছিল তার ৩০৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী। এবারো তার সমাধির পাশে ভিড় করেছিল প্রায় এক লাখ ভক্ত। সংবাদটা পড়ে মনটা দুলে উঠেছিল আনন্দ বেদনায়। মনে হয়েছিল বলবান পিতার অবর্তমানে অসহায় সন্তানরা যেমন করুণ হালে দিন কাটায়, অতঃপর সজল নয়নে পথ চেয়ে থাকে পিতার প্রত্যাবর্তনের আশায়। পিতা ফিরে এলে আছরে পরে পিতার কোলে। ভারতবাসীও যেন এদিন তাদের দরদী পিতার সান্নিধ্যে দাঁড়িয়ে সান্ত্বনা লাভের চেষ্টা করে। হে আওরঙ্গযেব! এই ভারতবর্ষে আশোক রাজার পর আওরঙ্গযেবের রাজত্বই ছিল ছিল সবচেয়ে বিস্তীর্ণ। গজনী থেকে চট্টগ্রাম আর কাশ্মীর থেকে কর্ণটক পর্যন্ত ছিল তার রাজ্য। এই ভারত বর্ষের প্রাচীন আমল আমল থেকে ইংরেজ বর্বদের উত্থান অবধি এতটা বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে আর কেউ রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। দৈর্ঘ্য প্রস্থ কোন বিচারেই না।
সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি ।। Execution of Saddam Hussein
ভিডিওটিতে সরাসরি ফাঁসি কার্যকর করা দেখানো হয়েছে, অর্থাৎ আপনি দূর্বল মানষিকতার অধিকারী হয়ে থাকলে ভিডিওটি না দেখার অনুরোধ রইল।
প্রথম দিকে সাদ্দাম হোসেন জেনারেল আহমেদ হাসান আল বাকরের উপ রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সেই সময় সাদ্দাম দৃঃঢ় ভাবে সরকার ও সামরিক বাহিনীর মধ্যকার বিরোধের অবসান ঘটান। এই উদ্দেশ্যে তিনি নিরাপত্তা বাহিনী গঠন করেন। ইরাকের রাষ্ট্রপতি ও বাথ পার্টির প্রধান হিসেবে সাদ্দাম হোসেন আরব জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ধর্ম নিরপেক্ষ ও আধুনিক ইরাক গড়ে তুলতে প্রয়াস নেন। সাদ্দাম এক দলীয় শাসন কায়েম করেন। এসময়ই সাদ্দাম ইরানের সাথে ৯ বছরের যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন (১৯৮০ থেকে ১৯৮৮)। ইরাক এবং ইরান যুদ্ধের পরে ১৯৯১ এ সাদ্দাম উপসাগরীয় যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন। সাদ্দাম তার মতে ইরাকের স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধের সকল পক্ষকে নির্মুল করার উদ্যোগ নেন। এই বিরুদ্ধ পক্ষে ছিল উপজাতীয় ও ধর্মীয় গোত্র গুলো যারা স্বাধীনতা দাবি করছিল। যেমনঃ ইরাকি শিয়া মুসলমান, কুর্দি, ইরাকি তুর্কি জনগন। ২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে কতিপয় আন্তর্জাতিক রাষ্ট্র ইরাক আক্রমণ করে। তারা এই যুক্তি দেখিয়ে আক্রমণ করে যে, সাদ্দাম ব্যাপক ধ্বংসাত্বক জীবানু অস্ত্র তৈরি করছেন (যদিও যুদ্ধ পরবর্তি সময়ে এমন কোন অস্ত্রের হদিস পাওয়া যায় নাই)। ১৩ ডিসেম্বর ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেন আমেরিকান সেনাদের কাছে ধরা পড়েন। পরবর্তিতে আমেরিকা ইরাকি সরকারের হাতে সাদ্দাম হোসেনের বিচার করে। সাদ্দামের বিরুদ্ধে ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ইরাকি সময় সকাল ৬:০৬ মিনিটে ইরাকে সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকর হয়।
পৃথিবীতে দ্রুততম যারা ।। Those Are The Fastest In The World
কে সবচেয়ে বেশি জোরে দৌড়ায়? জিজ্ঞেস না করার আগেই আপনাদের মুখে নিশ্চয়ই এর জবাব চলে এসেছে, তাই না! হ্যাঁ, চিতা বাঘ। কিন্তু যদি আপনাদের জিজ্ঞেস করি মানুষের মধ্যে কে সবচেয়ে দ্রুত ছোটে? তার উত্তরটাও আপনাদের নিশ্চয়ই অজানা নয়। অনেক দৌড়বিদ একেক সময় দ্রুততার নতুন নতুন রেকর্ড করলেও এ মুহূর্তে এটি আছে উসাইন বোল্টের দখলে। তবে দ্রুততার দিক থেকে মানুষ কিন্তু অনেক অনেক পিছনে পরে আছে বিভিন্ন প্রাণীর তুলনায়। আজকে চলেন আমরা পৃথিবীর সেরা ১০ দ্রুত প্রাণীর গল্পই শুনি।
চিতা বাঘ (Cheetah):
পৃথিবীর স্থলচর দ্রুত প্রাণীদের কথা বলতে গেলে প্রথমেই চলে আসবে চিতা বাঘের কথা। এ আর নতুন কি! কারণ বিড়াল প্রজাতির এই প্রাণীটি অসম্ভব দ্রুত দৌড়াতে পারে। কল্পনা করেন তো একটা প্রাণী ঘন্টায় ৭০ মাইল বেগে দৌড়ে যাচ্ছে! এত জোরে গাড়ি চালালে তো সেটা অ্যাক্সিডেন্ট করবে নিশ্চিত। তবে চিতা বাঘ কিন্তু অ্যাক্সিডেন্ট করে না। মজার ব্যাপার তাই না! আর একটা মজার কথা শোনেন। গাড়ি চালানোর সঙ্গে সঙ্গে কি তার স্পিড ওঠে? ওঠে না! কিন্তু চিতা বাঘ দৌড়ানো শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই তার গতি শুন্য থেকে একলাফে ৭০ মাইলে উঠে যায়। আর এই বেগ তুলতে তার সময় লাগে মাত্র ৩ সেকেন্ড।
পৃথিবীর স্থলচর দ্রুত প্রাণীদের কথা বলতে গেলে প্রথমেই চলে আসবে চিতা বাঘের কথা। এ আর নতুন কি! কারণ বিড়াল প্রজাতির এই প্রাণীটি অসম্ভব দ্রুত দৌড়াতে পারে। কল্পনা করেন তো একটা প্রাণী ঘন্টায় ৭০ মাইল বেগে দৌড়ে যাচ্ছে! এত জোরে গাড়ি চালালে তো সেটা অ্যাক্সিডেন্ট করবে নিশ্চিত। তবে চিতা বাঘ কিন্তু অ্যাক্সিডেন্ট করে না। মজার ব্যাপার তাই না! আর একটা মজার কথা শোনেন। গাড়ি চালানোর সঙ্গে সঙ্গে কি তার স্পিড ওঠে? ওঠে না! কিন্তু চিতা বাঘ দৌড়ানো শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই তার গতি শুন্য থেকে একলাফে ৭০ মাইলে উঠে যায়। আর এই বেগ তুলতে তার সময় লাগে মাত্র ৩ সেকেন্ড।
পল দ্যা অক্টোপাস ।। Paul The Octopus
অক্টোপাসের গল্প তো আপনারা সবাই শুনেছেন। সাগরের বুকে জাহাজ ধরে ধরে ডুবিয়ে দেয়। ভীষণ হীংস্র আর মানুষ পেলেই আট পা দিয়ে পেঁচিয়ে ধরেও তারা। সাগরতীরে যে মানুষ গুলো থাকে তাদের জন্য তো অক্টোপাস মানে রীতিমতো এক মূর্তিমান দুঃস্বপ্ন। আসলে কিন্তু এরা ওরকম ভয়ংকর কিছু নয়, উল্টো এরা ভীষণ ভীতু এক প্রাণী। আপনাকে দেখলেও হয়তো ভয় পেয়ে কালি ছুঁড়ে পালিয়ে যাবে সে। হ্যাঁ, ওরা আবার ভয় পেলে কালি ছুঁড়ে পানি ঘোলা করে পালিয়ে যায়। তবে আজকে আপনাদের এক তারকা বনে যাওয়া অক্টোপাসের গল্পই শোনাবো। এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের পরে এই অক্টোপাসের ভক্ত হয়ে পড়েছেন বিশ্বের অসংখ্য মানুষ।
অনেকেই হয়তো ভাবছেন, ব্যাপারটার পুরোটাই মিথ্যে। তবে যারা এরই মধ্যে জানেন, তারা নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন যে, আমি পলের কথা বলছি। যারা জানেন না, তাদের জন্য বলছি, পল হলো জার্মানির একটা অক্টোপাস। দেখতে আর সব অক্টোপাসের মতো হলেও এই অক্টোপাসটির কিন্তু একটি বিশেষত্ব আছে। আর তা হলো, এই অক্টোপাসটি ফুটবল ম্যাচের আগেই বলে দিতে পারে ঠিক কোন দলটি জিততে চলেছে। কিভাবে? সে কথায় পরে আসছি। পলকে জার্মান অক্টোপাস বললেও ওর জন্ম কিন্তু জার্মানিতে নয়। ওর জন্ম ইংল্যান্ডের ওয়েমাউথে। সেখানে একটি সি লাইফ সেন্টারে জন্ম হয় পলের। তখন ২০০৮ সাল। পরে ঐ বছরই তাকে জার্মানির ওবারহাইসেনে নিয়ে আসা হয়। ওর নামটাও কিন্তু জার্মানদেরই দেয়া। বিখ্যাত জার্মান ছড়াকার বয় লর্নসেনের একটি কবিতা আছে ‘ডার টিনটেনফিশচ পল অক্টোপাস’ নামে। চিন্তা করছেন, এ আবার কেমন নাম? জার্মান ভাষার কবিতা তো, শুনতে একটু খটমটেই লাগবে। সে কবিতায় পল নামে একটি অক্টোপাস থাকে। সেই অক্টোপাসটির নাম অনুসারেই ওর নাম রাখা হয়েছে পল। পল যে সাধারণ কোনো অক্টোপাস নয়, সেটা কিন্তু শৈশবেই নাকি বেশ বোঝা গিয়েছিলো। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? কথাটা আসলে আমার নয়। পল এখনো ওবারহাইসেনের যে সি লাইফ সেন্টারে থাকত, তার পরিচালক ডেনিয়েল ফে’ই কথাটা বলেছেন। ছোটবেলা থেকেই ও অন্য অক্টোপাসদের থেকে আলাদা আচরণ করতো। কোনো দর্শক ওকে দেখতে আসলে ও দর্শকের দিকে এমনভাবে তাকিয়ে থাকতো! যা কোনোভাবেই সাধারণ কোনো অক্টোপাসের দৃষ্টির সঙ্গে মেলানো যেতো না। তাই তখন থেকেই তারা চেষ্টা শুরু করলো পলের কোনো বিশেষ প্রতিভা আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে। পলের প্রতিভা খুঁজে বের করতে তাদের খুব বেশি সময় লাগলো না। শিগগিরিই তারা আবিষ্কার করলো, জার্মানির কোনো ফুটবল খেলা থাকলে পল তার নিখুঁত ভবিষ্যতবাণী করছে। ২০০৮ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নস লীগের জার্মানির ৬টি খেলার ৪টিরই সঠিক ভবিষ্যতবাণী করেছিলো পল। আর এরসঙ্গে সঙ্গেই পল কেড়ে নিলো সবার দৃষ্টি।
পিঁপড়া সমাচার
আপনারা ওই ছড়াটা নিশ্চয়ই পড়েছেন,
"ওই যে ‘পিপীলিকা পিপীলিকা
দলবল ছাড়ি একা
কোথা যাও, যাও ভাই বলি’।"
দলবল ছাড়ি একা
কোথা যাও, যাও ভাই বলি’।"
আজ আমরা সেই পিপীলিকা বা পিঁপড়া নিয়ে খানিক গল্প করে আসি। আপনারা হয়তো ভাবছেন যে এইটুকু পিচ্চি একটা প্রাণী পিঁপড়া, তাকে নিয়ে আবার গল্প হয় নাকি! আজ হয়তো এমন কিছু জানতেও পারবেন যা আপনাদের এতদিন জানাই ছিলো না।
পিঁপড়া হচ্ছে এমন একটি প্রাণী, যে সব ধরনের প্রকৃতিক দুর্যোগ সহ্য করেও লক্ষ লক্ষ বছর ধরে পৃথিবীতে বেঁচে আছে। প্রায় ১২ হাজার প্রজাতির পিঁপড়া রয়েছে পৃথিবীজুড়ে। যে কোনো প্রজাতিতেই সাধারণত তিন ধরনের পিঁপড়া থাকে, রাণী পিঁপড়া, সৈনিক পিঁপড়া ও শ্রমিক পিঁপড়া। রাণী পিঁপড়া ও শ্রমিক পিঁপড়ারা মেয়ে হয়, অন্যদিকে সৈনিকের ভূমিকা পালন করে ছেলে পিঁপড়ারা। রাণী পিঁপড়ার একমাত্র কাজ হলো ডিম পাড়া। তাদের চিনবেন কিভাবে? শুধু রাণী পিঁপড়াদেরই পাখা থাকে।
পিঁপড়া হচ্ছে এমন একটি প্রাণী, যে সব ধরনের প্রকৃতিক দুর্যোগ সহ্য করেও লক্ষ লক্ষ বছর ধরে পৃথিবীতে বেঁচে আছে। প্রায় ১২ হাজার প্রজাতির পিঁপড়া রয়েছে পৃথিবীজুড়ে। যে কোনো প্রজাতিতেই সাধারণত তিন ধরনের পিঁপড়া থাকে, রাণী পিঁপড়া, সৈনিক পিঁপড়া ও শ্রমিক পিঁপড়া। রাণী পিঁপড়া ও শ্রমিক পিঁপড়ারা মেয়ে হয়, অন্যদিকে সৈনিকের ভূমিকা পালন করে ছেলে পিঁপড়ারা। রাণী পিঁপড়ার একমাত্র কাজ হলো ডিম পাড়া। তাদের চিনবেন কিভাবে? শুধু রাণী পিঁপড়াদেরই পাখা থাকে।
সারাজীবন ধরে রাণী পিঁপড়া শুধু খায়, ঘুমায় আর ডিম পাড়ে। তার সেবার জন্য রয়েছে শ্রমিক পিঁপড়া। এদের কাজ হলো ঘুরে ঘুরে খাবার সংগ্রহ করে আনা। আর সেই খাবার পাহাড়া দেয়ার দায়িত্ব থাকে সৈনিক পিঁপড়াদের ওপর। তাছাড়াও অন্য পিঁপড়াদের জায়গা জমি দখল করতে এবং নিজেদের বাসাবাড়ি রক্ষা করার দায়িত্বও সৈনিক পিঁপড়াদের। অন্যান্য পিঁপড়া বস্তি আক্রমণ করে সৈনিক পিঁপড়া খাবার ও ডিম নিয়ে আসে। সেই ডিম ফুটে যে পিঁপড়ার বাচ্চারা বের হয় তারা নতুন বস্তিতে চাকর-বাকরের মতো ফাই-ফরমাশ খাটে। ভাবছেন পিঁপড়া তো খুব খারাপ প্রাণী, তাই না? কিন্তু এটাই যে ওদের সমাজের রীতি!
নজরুলের গান ।। Nazrul's Music
একটা তালিকা করা যাক, তার মোটমাট কয়টা বই বের হয়েছিল। তিনি তো লিখেছিলেন মোটে ২৩ বছর। তারপর তো অসুস্থ হয়ে পড়লেন। এই ২৩ বছরের সাহিত্যিক জীবনে তার প্রকাশিত কবিতার বই ২২টি, নানা বিদেশি কবির কবিতার অনুবাদের বই ৩টি আর ছোটদের কবিতার বই ২টি। উপন্যাস ৩টি, গল্পের বই ৩টি। নাটক ৩টি, ছোটদের নাটক ২টি। প্রবন্ধের বই ৫টি আর গানের বই ১৪টি।
নজরুল সুস্থ থাকতে থাকতেই প্রায় ৫০টির মতো বই প্রকাশিত হয়। তার মৃত্যুর আগেই প্রকাশিত হয় আরো ৩০টির মতো বই। আর তার মৃত্যুর পর অপ্রকাশিত রচনা নিয়ে আরো ১১টি বই প্রকাশিত হয়।
নজরুল সুস্থ থাকতে থাকতেই প্রায় ৫০টির মতো বই প্রকাশিত হয়। তার মৃত্যুর আগেই প্রকাশিত হয় আরো ৩০টির মতো বই। আর তার মৃত্যুর পর অপ্রকাশিত রচনা নিয়ে আরো ১১টি বই প্রকাশিত হয়।
এসব গল্প তো আপনারা আগেই পড়েছেন বা শুনেছেন। আজকে অন্য এক গল্প শোনা যাক, ব্যক্তিগতভাবে কবি নজরুল কেমন ছিলেন? কী করতে তার ভালো লাগতো? কিংবা তিনি দেখতেই বা কেমন ছিলেন?
সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুর একবার কবি নজরুলের বর্ণনা লিখলেন। লিখলেন, (নজরুলের) ‘সবল শরীর, মাথায় ঝাঁকড়া চুল। চোখ দুটো যেন পেয়ালা, আর সে পেয়ালা দুটো যেন কখনো খালি নেই, প্রাণের অরুণ রসে সদা ভরপুর। তার গলা সারসের মতো পাতলা নয় বরং পুরুষের গলা যেমন হওয়া উচিত, তেমনি সরল বীর্য ব্যঞ্জক। গলার স্বর ছিল ভারী, তার সেই মোটা গলার সুরে ছিল জাদু ঢেউয়ের আঘাতের মতো তার গান আছড়ে পড়তো ঝড়ের ঝাপটা হয়ে শ্রোতার বুকে। প্রবল হতে সে ভয় পেতো না, নিজেকে মিঠে দেখানোর জন্য সে চেষ্টা করতো না।
সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুর একবার কবি নজরুলের বর্ণনা লিখলেন। লিখলেন, (নজরুলের) ‘সবল শরীর, মাথায় ঝাঁকড়া চুল। চোখ দুটো যেন পেয়ালা, আর সে পেয়ালা দুটো যেন কখনো খালি নেই, প্রাণের অরুণ রসে সদা ভরপুর। তার গলা সারসের মতো পাতলা নয় বরং পুরুষের গলা যেমন হওয়া উচিত, তেমনি সরল বীর্য ব্যঞ্জক। গলার স্বর ছিল ভারী, তার সেই মোটা গলার সুরে ছিল জাদু ঢেউয়ের আঘাতের মতো তার গান আছড়ে পড়তো ঝড়ের ঝাপটা হয়ে শ্রোতার বুকে। প্রবল হতে সে ভয় পেতো না, নিজেকে মিঠে দেখানোর জন্য সে চেষ্টা করতো না।
সিনেমার নজরুল ।। Nazrul In Films
আমাদের প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কিন্তু শুধু কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক বহুমুখী এক প্রতিভাবান। তিনি যেমন কবিতা লিখেছেন, তেমনি লিখেছেন হাজার হাজার গান, উপন্যাস, তিনটি গল্পের বই, তিনটি নাটক, আরো কত্তো কিছু। শুধু তাই নয়, তিনি কিন্তু চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। কী অবাক করা বিষয়, তিনি এতো এতো লিখেছেন, তাও মাত্র ২৩ বছরের মধ্যে, তার মধ্যে তিনি আবার চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন! এখন তিনি কোন কোন ছবিতে কাজ করেছিলেন, কি কাজ বা করেছিলেন, তা কী জানেন? চলেন তাহলে, আজকে আমরা চলচ্চিত্র জগতে নজরুলের পদচারণার সব খবরাখবর নিয়ে আসি।
ত্রিশের দশকের শুরু। কবি হিসেবে খ্যাতির চূড়োয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এরইমধ্যে তিনি রূপালি জগতে প্রবেশ করলেন। তিনি প্রথম চলচ্চিত্রের রূপালি জগতে কাজ করেন সম্ভবত ১৯৩১ সালে। ভাবছেন, কাজ করেছেন তো কাজ করেছেন, সেখানে আবার সম্ভবত কেনো? আসলে, ওই ছবিটি সম্পর্কে যে নিশ্চিত প্রমাণসহ তেমন কিছু জানাই যায়নি। তবে এটুকু জানা যায়, তিনি সেই বছরে ‘ধূপছায়া’ নামে একটি চলচ্চিত্র নিজেই পরিচালনা করেন। শুধু পরিচালনা নয়, তিনি নাকি সেই ছবিতে অভিনয়ও করেছিলেন, ‘বিষ্ণু’ চরিত্রে।
দুখু মিয়া বা তারাখ্যাপা'র গল্প ।। Story Of Dukhu Mia or Tarakhyapa
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি মৃত্যুবরণ করেছিলেন ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট, বাংলা ভাদ্র মাসের ১২ তারিখে। আমরা অবশ্য ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী পালন করি। সেদিন তো তাকে নিয়ে অনেক অনুষ্ঠানই হবে। হতেই হবে, তিনি যে আমাদের জাতীয় কবি! তার আগে তার সম্পর্কেও তো বেশ করে জেনে রাখা চাই নাকি? চলেন তাহলে আজকে আমরা তাঁর সম্পর্কে খুব করে খোঁজ খবর নিয়ে আসি।
জাতীয় কবির জন্ম কবে হয়েছিলো সে তো সবাই জানেন; ২৫শে মে ১৮৯৯ (বাংলা ১১ জৈষ্ঠ্য ১৩০৬)। সেদিন কি বার ছিলো সেটা কি জানেন? মঙ্গলবার। তিনি জন্মেছিলেন বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার জামুরিয়া থানার চুরুলিয়া গ্রামে। তাঁর বাবা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম। আর তাঁর মায়ের নাম ছিলো জাহেদা খাতুন। তারা কিন্তু আমাদের জাতীয় কবির বাবা-মা, তাদের নামগুলো ঠিক ঠিক মনে রেখো কিন্তু। ছোটোবেলায় আমাদের এই বিদ্রোহী কবির কিন্তু বেশ কয়েকটা সুন্দর সুন্দর ডাকনামও ছিলো। তার দু’টো আপনাদের শোনাই, ‘দুখু মিয়া’ ছিলো একটি নাম আর আরেকটি নাম ছিলো, তারাখ্যাপা!
জাতীয় কবির জন্ম কবে হয়েছিলো সে তো সবাই জানেন; ২৫শে মে ১৮৯৯ (বাংলা ১১ জৈষ্ঠ্য ১৩০৬)। সেদিন কি বার ছিলো সেটা কি জানেন? মঙ্গলবার। তিনি জন্মেছিলেন বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার জামুরিয়া থানার চুরুলিয়া গ্রামে। তাঁর বাবা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম। আর তাঁর মায়ের নাম ছিলো জাহেদা খাতুন। তারা কিন্তু আমাদের জাতীয় কবির বাবা-মা, তাদের নামগুলো ঠিক ঠিক মনে রেখো কিন্তু। ছোটোবেলায় আমাদের এই বিদ্রোহী কবির কিন্তু বেশ কয়েকটা সুন্দর সুন্দর ডাকনামও ছিলো। তার দু’টো আপনাদের শোনাই, ‘দুখু মিয়া’ ছিলো একটি নাম আর আরেকটি নাম ছিলো, তারাখ্যাপা!
পাখিদের সব থেকে ছোটো আর বড় ।। Most Smallest & Biggest Bird
পাখির মতো হতে চায় না কে! আমাদের যদি ডানা থাকতো? আমরাও যদি উড়তে পারতাম! সবাই এরকমটাই ভাবে। আর এরকম ভাবে বলেই না আজকে আমরা এরোপ্লেন আবিষ্কার করেছি। যদিও নিজেরা উড়তে পারি না তবুও তো দুধের স্বাদ ঘোলে মেটে। শুধু কি ওড়ার জন্য, সময় বাঁচাতে যে এরোপ্লেনে চড়ার কোনো বিকল্প নেই। তবে যদি পাখির কথা বলি চট করে আমাদের মাথায় চলে আসে হাজারো পাখির নাম। বিশেষ করে ময়না, টিয়া, দোয়েলের নাম তো সবার আগেই আসে। এগুলোই যে মানুষ বেশি চেনে, তাই তো এদের নামই আগে বলবে।
এছাড়াও পৃথিবীতে রয়েছে হাজার হাজার পাখি। তবে সবাইকে নিয়ে কথা বলতে গেলে তো রাত ফুরিয়ে যাবে। তাই আজকে আমরা শুধু সবচেয়ে ছোটো আর সবচেয়ে বড়ো পাখির কথা শুনবো। চলেন তবে শুরু করা যাক।
এছাড়াও পৃথিবীতে রয়েছে হাজার হাজার পাখি। তবে সবাইকে নিয়ে কথা বলতে গেলে তো রাত ফুরিয়ে যাবে। তাই আজকে আমরা শুধু সবচেয়ে ছোটো আর সবচেয়ে বড়ো পাখির কথা শুনবো। চলেন তবে শুরু করা যাক।
হামিং বার্ডঃ
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটো পাখিটি হচ্ছে হামিং বার্ড। এর ওজন মাত্র ১.৮ গ্রাম আর দৈর্ঘ্য ৭.৫ থেকে ১৩ সেঃমিঃ। তবে মজার বিষয় হচ্ছে পুরুষ হামিং বার্ড গুলো কিন্তু আকারে মেয়ে হামিং বার্ড থেকে ছোটো হয়ে থাকে। শুধু আকারে নয় আরো পার্থক্য আছে মেয়ে এবং পুরুষ হামিং বার্ডের মধ্যে। পুরুষ পাখি গুলোর লোম সবুজ রঙের হয়। এদের পাখাগুলো উপরের দিকটা নীল বর্ণের আর শরীরের নিচের দিকটা বেশিরভাগ সময় ধূসর সাদা হয়ে থাকে। অপরদিকে মেয়ে পাখিদের মাথার ওপরের দিকটা নীলচে সবুজ রঙ এর হয়, সরু লেজটিতে থাকে সাদা রঙের ফোটা ফোটা দাগ। হামিং বার্ড যে শুধু তার রঙের জন্য বিখ্যাত তা কিন্তু ভেবো না। ছোটো হলে কি হবে এদের শরীরে কিন্তু অনেক শক্তি আছে। হেলিকপ্টার যত উঁচুতে উড়ে হামিং বার্ডও ঐ উচ্চতায় উঠতে পারে। আর সবচেয়ে অবাক করার মত বিষয় হলো এরা প্রজাতিভেদে সেকেন্ডে ১২ থেকে ৯০ বার নিজেদের পাখা নাড়াতে পারে। এ কারণেই চোখের পলকে অনেকটা দূরে চলে যেতে পারে হামিং বার্ড। সাধারণত এদের ওড়ার গতি ঘন্টায় ৫০ কিলোমিটার। মজার ব্যাপার হলো এরা কেবল সামনে নয়, পেছন দিকেও উড়তে পারে।
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটো পাখিটি হচ্ছে হামিং বার্ড। এর ওজন মাত্র ১.৮ গ্রাম আর দৈর্ঘ্য ৭.৫ থেকে ১৩ সেঃমিঃ। তবে মজার বিষয় হচ্ছে পুরুষ হামিং বার্ড গুলো কিন্তু আকারে মেয়ে হামিং বার্ড থেকে ছোটো হয়ে থাকে। শুধু আকারে নয় আরো পার্থক্য আছে মেয়ে এবং পুরুষ হামিং বার্ডের মধ্যে। পুরুষ পাখি গুলোর লোম সবুজ রঙের হয়। এদের পাখাগুলো উপরের দিকটা নীল বর্ণের আর শরীরের নিচের দিকটা বেশিরভাগ সময় ধূসর সাদা হয়ে থাকে। অপরদিকে মেয়ে পাখিদের মাথার ওপরের দিকটা নীলচে সবুজ রঙ এর হয়, সরু লেজটিতে থাকে সাদা রঙের ফোটা ফোটা দাগ। হামিং বার্ড যে শুধু তার রঙের জন্য বিখ্যাত তা কিন্তু ভেবো না। ছোটো হলে কি হবে এদের শরীরে কিন্তু অনেক শক্তি আছে। হেলিকপ্টার যত উঁচুতে উড়ে হামিং বার্ডও ঐ উচ্চতায় উঠতে পারে। আর সবচেয়ে অবাক করার মত বিষয় হলো এরা প্রজাতিভেদে সেকেন্ডে ১২ থেকে ৯০ বার নিজেদের পাখা নাড়াতে পারে। এ কারণেই চোখের পলকে অনেকটা দূরে চলে যেতে পারে হামিং বার্ড। সাধারণত এদের ওড়ার গতি ঘন্টায় ৫০ কিলোমিটার। মজার ব্যাপার হলো এরা কেবল সামনে নয়, পেছন দিকেও উড়তে পারে।
অদ্ভুত সামুদ্রিক প্রানি ।। Strange Sea Creatures
১৩ টন ওজনের মটর সাইকেল ।। 13 Tonnes Motorcycle
আপনারা কি কখনো কল্পনা করেছেন কোন মটর সাইকেলের ওজন ১৩ টন হবে এবং যার উচ্চতা হবে ১০ ফুট আর লম্বায় হবে ৩০ ফুট? কল্পনা না করলে এবার করুন কেননা পৃথিবির বুকে তৈরি হয়েছে এরকম মটর সাইকেল যা কিনা একটা বাসের সমান। আর এই কল্পনা আর তৈরি করার মূল হোতা হলে অষ্ট্রিয়া নিবাসি সিনেমার ষ্টান্ট ম্যান "রে বউম্যান"। তিনি বিগত ৩ বছর ধরে কাজ করেছেন এই বাইকের উপর এবং বানিয়ে ফেলেছেন তার স্বপ্নের বাইক। আর তিনি তার এই বাইকের নাম দিয়েছেন “Monster Motorbike from Hell”।
তার তৈরি করা বাইকটির ইঞ্জিন হিসেবে ব্যাবহার করেছেন ডিজেল চালিত ট্রাকের ইঞ্জিন। ভাববেন না একটা ইঞ্জিন মাত্র, ৬টা ইঞ্জিনের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এর ইঞ্জিন। শুধু ইঞ্জিনের উচ্চতা একজন মানুশের সমান। এবার ভেবে দেখুন তাহলে বাইকের সাইজ কেমন।
তার তৈরি করা বাইকটির ইঞ্জিন হিসেবে ব্যাবহার করেছেন ডিজেল চালিত ট্রাকের ইঞ্জিন। ভাববেন না একটা ইঞ্জিন মাত্র, ৬টা ইঞ্জিনের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এর ইঞ্জিন। শুধু ইঞ্জিনের উচ্চতা একজন মানুশের সমান। এবার ভেবে দেখুন তাহলে বাইকের সাইজ কেমন।
এক বীরকন্যার গল্প ।। Story Of A Hero
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের কথা তো আপনারা জানেন। ১৯৭১ সালে অনেক সংগ্রাম আর ত্যাগের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আমাদের স্বাধীনতার জন্য কিন্তু আরো অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। সেসব সংগ্রামের কথা কী আপনারা জানেন? ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের সাথে যুদ্ধে পরাজিত হন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদদৌলা। সেই আমাদের পরাধীনতার শুরু। এরপর একটু একটু করে গোটা ভারতবর্ষই দখল করে নেয় ইংরেজরা। আর ইংরেজরা শুধু এদেশ দখল করেই বসে ছিলো না, এদেশের নিরীহ মানুষের উপর নানাভাবে অন্যায়, অত্যাচার আর শোষণ করতে শুরু করে দিলো। কিন্তু এদেশের মানুষ কি আর সেসব মুখ বুঁজে সহ্য করবে? তারা নানাভাবে প্রতিবাদ করতে লাগলো। দেশের তরুণ প্রজন্ম বৃটিশবিরোধী বিপ্লবে আর আন্দোলনে যাকে বলে একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়লো। এই বৃটিশবিরোধী বিপ্লবেরই এক কিংবদন্তী যোদ্ধার নাম 'প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার'। নারী হয়েও যিনি সহিংস বিপ্লবে ঝাঁপিয়ে পড়তে একটুও দ্বিধা করেননি। শুধু বিপ্লবই করেননি, তিনি দেশের জন্য মৃত্যুকেও কাছে টেনে নিয়েছিলেন। আর দেখিয়ে গেছেন, মেয়েরাও দেশের জন্য কতো কিছু করতে পারে। সেই সাহসী বীরকন্যার জীবনের গল্পই আজ আপনাদের শোনাবো।
বাসযোগ্য নতুন পৃথিবী ।। Livable New World
পৃথিবীর মতোই একটি গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। ছয়শ’ আলোকবর্ষ দূরে ‘কেপলার ২২বি’ নামের গ্রহটি পৃথিবীর মতোই বাসযোগ্য বলে ধারণা করছেন তারা। মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার দাবি, এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্রহগুলোর মধ্যে ‘কেপলার ২২বি’ নামের ওই গ্রহটির সঙ্গেই পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে। এ গ্রহে প্রাণের উদ্ভব ঘটেতে পারে বলেও গবেষকদের ধারণা। আর তাতেই প্রশ্ন উঠেছে, তবে এতোদিন কেপলার ২২বি এর গ্রহবাসীরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি কেনো?
আকাশ ছোঁয়া সৌন্দর্য্য ।। Beauty Touched The Sky
পাহাড় আর পর্বতের পার্থক্য কি জানেন তো? আমরা তো সবগুলোকেই পাহাড় বলে অভ্যস্ত। আসলে পাহাড় অপেক্ষাকৃত নিচু হয়। সবচেয়ে উঁচুগুলোকে বলে পর্বত। তাই মাউন্ট এভারেস্ট, কাঞ্চনজক্সঘা এগুলো সব পর্বত বা পর্বতশৃঙ্গ। আমাদের দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কেওকারাডং, তাজিনডং সবই পর্বতশৃঙ্গ। আবার একটু নিচুগুলোকে বলে পাহাড়। যেমন ধরেন আমাদের গারো পাহাড়। আর আরো নিচু জায়গাগুলোকে বলে টিলা। কুমিল্লার ময়নামতিও কিন্তু পাহাড় নয়, টিলা। তাহলে চলেন, গল্পে গল্পেই ঘুরে আসি কয়েকটা ভীষণ সুন্দর পাহাড় থেকে।
পৃথিবীর ভয়ঙ্কর সুন্দর সব সড়ক ।। World's Most Dangerous Roads
আজ এমন এমন সব রাস্তার কথা জানাবো, যে সব রাস্তার আরেক নামই হলো ভয়ঙ্কর সব দুর্ঘটনা। তারপরও কিন্তু মানুষ সে সব রাস্তা ব্যবহার করে। তার কারণ শুধু এটা না যে, সে সব রাস্তার কোনো বিকল্প রাস্তা নেই। আসল কারণ হলো, ওই রাস্তাগুলো যেমন ভয়ঙ্কর, তেমনি সুন্দর। আর সব জায়গাতেই তো এমন কিছু মানুষ থাকে, যারা ভীষণ ক্ষ্যাপাটে। জীবনের ঝুঁকি নিতেই যাদের বেশি আনন্দ। তাদের জন্য তো এসব রাস্তায় ভ্রমণ করার চেয়ে আনন্দের আর কিছুই নেই। তাই বলে আপনারা কিন্তু আবার অমন ক্ষ্যাপাটে হওয়ার চিন্তা করবেন না। তারচেয়ে চলেন সে সব ভয়ঙ্কর সেই রাস্তাগুলোর গল্পই বরং শুনে আসি।
বলিভিয়ার মৃত্যু সড়কঃ
বলিভিয়া কোথায় জানেন তো আপনারা? হ্যাঁ, দক্ষিণ আমেরিকার বিখ্যাত নেতা সাইমন বলিভারের দেশ এই বলিভিয়া। আর দেশের রাজধানীর নাম হলো লাপাজ। আবার এই দেশের আমাজন অঞ্চলের আঞ্চলিক রাজধানীর নাম হলো করোইকা। লাপাজ থেকে করোইকা পর্যন্ত যে রাস্তাটি, তার নাম হলো ইউঙ্গাস। কিন্তু মানুষ রাস্তাটাকে ওই নামে একদমই ডাকে না। সবাই রাস্তাটাকে ডাকে ডেথ রোড বা মৃত্যু সড়ক বলে। কেন জানেন? কারণ দুর্ঘটনা হওয়া তো ওই রাস্তায় একেবারেই মামুলি ঘটনা! প্রতি বছর ওই রাস্তায় গড়ে দুই থেকে তিনশত মানুষ মারাই যায়! ভাবছেন, রাস্তাটা যদি এতোই বিপজ্জনক, তাহলে ঘুরপথে অন্য আরেকটা রাস্তা বানালেই তো হয়! হ্যাঁ, বলিভিয়ার সরকারও সেই কাজই করেছে। প্রায় ২০ বছর ধরে তৈরি করে ২০০৬ সালে খুলে দিয়েছে লাপাজ থেকে করোইকোর আরেকটা বিকল্প রাস্তা। ফলে এখন এই মৃত্যু সড়কটার ব্যবহার অনেক কমে গেছে। তবু রাস্তাটি কিন্তু এখনো ব্যবহৃত হয়। কারা ব্যবহার করে? ঐ যে, ঐ ক্ষ্যাপাটেরা, যারা শুধু জীবন নিয়ে বাজি ধরতে চায়!
বলিভিয়া কোথায় জানেন তো আপনারা? হ্যাঁ, দক্ষিণ আমেরিকার বিখ্যাত নেতা সাইমন বলিভারের দেশ এই বলিভিয়া। আর দেশের রাজধানীর নাম হলো লাপাজ। আবার এই দেশের আমাজন অঞ্চলের আঞ্চলিক রাজধানীর নাম হলো করোইকা। লাপাজ থেকে করোইকা পর্যন্ত যে রাস্তাটি, তার নাম হলো ইউঙ্গাস। কিন্তু মানুষ রাস্তাটাকে ওই নামে একদমই ডাকে না। সবাই রাস্তাটাকে ডাকে ডেথ রোড বা মৃত্যু সড়ক বলে। কেন জানেন? কারণ দুর্ঘটনা হওয়া তো ওই রাস্তায় একেবারেই মামুলি ঘটনা! প্রতি বছর ওই রাস্তায় গড়ে দুই থেকে তিনশত মানুষ মারাই যায়! ভাবছেন, রাস্তাটা যদি এতোই বিপজ্জনক, তাহলে ঘুরপথে অন্য আরেকটা রাস্তা বানালেই তো হয়! হ্যাঁ, বলিভিয়ার সরকারও সেই কাজই করেছে। প্রায় ২০ বছর ধরে তৈরি করে ২০০৬ সালে খুলে দিয়েছে লাপাজ থেকে করোইকোর আরেকটা বিকল্প রাস্তা। ফলে এখন এই মৃত্যু সড়কটার ব্যবহার অনেক কমে গেছে। তবু রাস্তাটি কিন্তু এখনো ব্যবহৃত হয়। কারা ব্যবহার করে? ঐ যে, ঐ ক্ষ্যাপাটেরা, যারা শুধু জীবন নিয়ে বাজি ধরতে চায়!
দ্রুতগতির উড়ুক্কুরা ।। High Speed Flyers
পাখিদের তো আপনারা খুব ভালো করেই চেনো। জিজ্ঞেস করলে এক নিঃশ্বাসে ডজনখানেক পাখির নামও বলে দিতে পারবেন। কিন্তু আপনারা কেউ কি বলতে পারবেন, পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগামী পাখি কোনটা? এই তো মাথা চুলকোতে শুরু করে দিলেন। চলেন, আজকে আমরা পৃথিবীর দ্রুততম পাখিদের সম্পর্কেই জেনে আসি।
পেরেগ্রিন ফেলকনঃ
পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগতির পাখির নাম হচ্ছে “পেরেগ্রিন ফেলকন”। এটি শুধু পাখিদের মধ্যেই দ্রুততম নয়, বরং পৃথিবীর সকল প্রাণীদের মধ্যেই দ্রুতগামী। এই পাখি শিকার করার সময় প্রথমে মাথা নিচু করে উড়ে যায় অনেক উঁচুতে। আর তারপর যখন খাঁড়া নিচের দিকে নেমে আসে, তখন ওর গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার! কি শুনে অবাক হলেন নাকি? তা তো হওয়ারই কথা। আরো মজার ব্যাপার কী জানেন? পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রাণীদের তালিকায় কিন্তু এই পেরেগ্রিন ফেলকনকে রাখাই হয়নি। কেননা শুধুমাত্র শিকার করার সময়ই এই পাখি এতো দ্রুতগতিতে উড়ে। অন্য সময় এরা মোটেও দ্রুত ওড়ে না। তারচেয়েও বড়ো কথা, ওদের এই গতি উপর থেকে নিচে নামার সময়ই হয়, আকাশে প্লেনের মতো ওড়ার সময় ওরা চাইলেও এতো দ্রুতগতিতে উড়তে পারে না। উপর থেকে নিচে নামার সময় তো মহাকর্ষণ শক্তির টানে এমনিই সবকিছুর গতি বেড়ে যায় অনেক গুণ! আপনারাই বলেন, ওই গতি হিসেব করে কী ওকে সবচেয়ে দ্রুতগতির পাখি বলা ঠিক?
পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগতির পাখির নাম হচ্ছে “পেরেগ্রিন ফেলকন”। এটি শুধু পাখিদের মধ্যেই দ্রুততম নয়, বরং পৃথিবীর সকল প্রাণীদের মধ্যেই দ্রুতগামী। এই পাখি শিকার করার সময় প্রথমে মাথা নিচু করে উড়ে যায় অনেক উঁচুতে। আর তারপর যখন খাঁড়া নিচের দিকে নেমে আসে, তখন ওর গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার! কি শুনে অবাক হলেন নাকি? তা তো হওয়ারই কথা। আরো মজার ব্যাপার কী জানেন? পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রাণীদের তালিকায় কিন্তু এই পেরেগ্রিন ফেলকনকে রাখাই হয়নি। কেননা শুধুমাত্র শিকার করার সময়ই এই পাখি এতো দ্রুতগতিতে উড়ে। অন্য সময় এরা মোটেও দ্রুত ওড়ে না। তারচেয়েও বড়ো কথা, ওদের এই গতি উপর থেকে নিচে নামার সময়ই হয়, আকাশে প্লেনের মতো ওড়ার সময় ওরা চাইলেও এতো দ্রুতগতিতে উড়তে পারে না। উপর থেকে নিচে নামার সময় তো মহাকর্ষণ শক্তির টানে এমনিই সবকিছুর গতি বেড়ে যায় অনেক গুণ! আপনারাই বলেন, ওই গতি হিসেব করে কী ওকে সবচেয়ে দ্রুতগতির পাখি বলা ঠিক?
অবাক করা সব নদী ।। Surprising Rivers
পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, সুরমার মতো কতো মিষ্টি মিষ্টি নদী আমাদের এই বাংলাদেশে জালের মতো ছড়িয়ে আছে। আর তাই তো আমাদের দেশ এত্তো সুন্দর! কিন্তু এসব নদী ছাড়াও যে পৃথিবীতে আরো অনেক বিশাল বিশাল আর ভীষণ সুন্দর সুন্দর সব নদী আছে, তা কি আপনারা জানেন? এসব নদী সম্পর্কে কিন্তু আমরা অনেক কিছুই জানি না। অনেক গুলোর নামও এমন, মনেই হয় না এগুলো নদীর নাম হতে পারে। কি? খুব কৌতূহল হচ্ছে? তাহলে চলেন, পরিচিত হয়ে আসি পৃথিবীর কয়েকটি বিস্ময়কর সুন্দর নদীর সঙ্গে।
আমাজনঃ
পৃথিবীর সবচেয়ে বিস্ময়কর নদী কোনটিকে বলা হয় জানেন? তার নাম আমাজন। দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত আমাজন পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। আর চওড়ার দিক দিয়ে কিন্তু এটিই প্রথম। আন্দিজ পর্বতমালার যে অংশ ব্রাজিলে অবস্থিত, সেখান থেকেই এই নদীর উৎপত্তি। এরপর পেরু, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, ভেনেজুয়েলার ভেতর দিয়ে এক লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে আমাজন শেষমেষ গিয়ে মিশেছে আটলান্টিক মহাসাগরে। আটলান্টিক মহাসাগরটিকে চিনেছেন তো? যে মহাসাগরে রহস্যময়ভাবে ডুবে গিয়েছিলো টাইটানিক।
পৃথিবীর সবচেয়ে বিস্ময়কর নদী কোনটিকে বলা হয় জানেন? তার নাম আমাজন। দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত আমাজন পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। আর চওড়ার দিক দিয়ে কিন্তু এটিই প্রথম। আন্দিজ পর্বতমালার যে অংশ ব্রাজিলে অবস্থিত, সেখান থেকেই এই নদীর উৎপত্তি। এরপর পেরু, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, ভেনেজুয়েলার ভেতর দিয়ে এক লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে আমাজন শেষমেষ গিয়ে মিশেছে আটলান্টিক মহাসাগরে। আটলান্টিক মহাসাগরটিকে চিনেছেন তো? যে মহাসাগরে রহস্যময়ভাবে ডুবে গিয়েছিলো টাইটানিক।
কাক ।। Crow
কাক কালো বর্নের মাঝারী আকৃতির এক ধরনের পাখি যা আমাদের দেশে খুব দেখা যায়। বিশেষকরে আমাদের রাজধাণী ঢাকাতে এর দেখা মেলে হরহামেসাই। অনেকে ঢাকাকে কাকের শহরো বলে থাকেন, কারণ ভোরে অন্যকোনো পাখির ডাক শোনা না গেলেও কাকের কা-কা রব ঠিকই শোনা যায়।
কাকের উদ্ভব ঘটেছে মধ্য এশিয়ায়। সেখান থেকে এটি উত্তর আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। উষ্ণমন্ডলীয় সব মহাদেশ (দক্ষিণ আমেরিকা ব্যতীত) এবং বেশ কিছু দ্বীপ অঞ্চলে কাকের বিস্তার রয়েছে। এদের গোত্র কর্ভাস । এই গোত্রের মধ্যে প্রায় ৪০টি ভিন্ন প্রজাতির কাক দেখা যায়।
আমাদের দেশে সাধারণত দুই প্রকারের কাক বেশী দেখা যায়ঃ
০১) দাঁড় কাক : ঘোর কৃষ্ণ বর্ণে আচ্ছাদিত কাক, এরা আকারে বেশ বড় হয়।
০২) পাতী কাক : এদের ঘাড়, গলা, পিঠ ও বুক ছাই রংএ আচ্ছাদিত আর লেজ, ডানা, মাথা কলো কুচকুচে। এরা আকারে দাঁড় কাকের তুলনায় বেশ ছোটো হয়।
কাকের উদ্ভব ঘটেছে মধ্য এশিয়ায়। সেখান থেকে এটি উত্তর আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। উষ্ণমন্ডলীয় সব মহাদেশ (দক্ষিণ আমেরিকা ব্যতীত) এবং বেশ কিছু দ্বীপ অঞ্চলে কাকের বিস্তার রয়েছে। এদের গোত্র কর্ভাস । এই গোত্রের মধ্যে প্রায় ৪০টি ভিন্ন প্রজাতির কাক দেখা যায়।
আমাদের দেশে সাধারণত দুই প্রকারের কাক বেশী দেখা যায়ঃ
০১) দাঁড় কাক : ঘোর কৃষ্ণ বর্ণে আচ্ছাদিত কাক, এরা আকারে বেশ বড় হয়।
০২) পাতী কাক : এদের ঘাড়, গলা, পিঠ ও বুক ছাই রংএ আচ্ছাদিত আর লেজ, ডানা, মাথা কলো কুচকুচে। এরা আকারে দাঁড় কাকের তুলনায় বেশ ছোটো হয়।
হারাতে বসা বিচিত্র সব প্রাণী ।। Almost Extinct Exotic Animals
ডাইনোসরের গল্প শুনেছেন সবাই? একসময় কিন্তু পৃথিবীতে অনেক রকম ডাইনোসর ছিলো। কিন্তু এখন ওরা কেউ আর বেঁচে নেই। তেমনি কিছুদিন আগেও পৃথিবীতে অনেক অদ্ভূত অদ্ভূত সব প্রাণী ছিলো, যেগুলো এতোদিনে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এখনো এমনিভাবে অনেক প্রাণী হারিয়ে যাচ্ছে। এখন তো প্রাণীদের বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া একেবারে সাধারণ একটা ঘটনায় দাঁড়িয়ে গেছে। কারণ? আর কী! মানুষ বন কাটছে, গাছ কাটছে, প্রাণীদের থাকার জায়গা কোথায়? খাবার কোথায়? ফলে পৃথিবীর জীবজগতের বৈচিত্র্য হারিয়ে যাচ্ছে। চলেন, তাহলে হারিয়ে যেতে বসা তেমনি আজব আর অদ্ভূত কিছু প্রাণীর গল্পই আজ শুনে আসি।
লিফি সি ড্রাগনঃ
প্রথমেই আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেই লিফি সিড্রাগনের সাথে। কী? নাম শুনে আবার ভয় পেয়ে গেলেন নাকি? নিশ্চয়ই ভাবছেন, ওরে বাবা! ড্রাগন? এর মুখ দিয়ে কি আবার আগুন বের হয় নাকি? না বন্ধুরা, চিন্তার কোন কারণ নেই। নাম ড্রাগন হলেও এটি খুবই ছোট্ট আর নিরীহ প্রাণী। আকারে ২০-২৪ সেমি এর চেয়ে বড়ো হয় না। আসলে এটির নামকরণ করা হয়েছে চীনের পৌরাণিক কাহিনীতে বর্ণিত এক কাল্পনিক ড্রাগনের নামে। কেননা এটি দেখতে সত্যি সত্যিই সেই ড্রাগনেরই মতো। আর সমুদ্রে থাকে বলেই এর নাম সি ড্রাগন। সি ড্রাগনের পুরো গা থেকেই পাতার মতো কিছু অংশ বেরিয়ে থাকে। এজন্যই এটির নাম লিফি সি ড্রাগন। তবে এসব পাতার মতো অংশ কিন্তু এর শরীরেরই এক একটা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। এগুলোর সাহায্যে এরা সমুদ্রের তলদেশ আঁকড়ে ধরে রাখে, চলাফেরা করে আর খাবার খায়। তবে অদ্ভুত অথচ মজার ব্যপারটা কি জানো? লিফি সি ড্রাগনের খাবার খাওয়ার পদ্ধতিটা কিন্তু একেবারেই সাধারণ নয়। কেননা মানুষ কিংবা অন্যান্য প্রাণীদের মতো এদের দাঁত কি পাকস্থলী কোনটাই নেই। তাহলে ওরা খাবার খায় কিভাবে? আর খায়ই বা কী? আসলে এরা এক বিশেষ পদ্ধতিতে খাবার খায়। আর সে পদ্ধতিতে খেতে ওদের না লাগে মুখ, না লাগে পাকস্থলী। এদের খাদ্য হচ্ছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণীকণা আর বিশেষ এক ধরণের চিংড়ি।
প্রথমেই আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেই লিফি সিড্রাগনের সাথে। কী? নাম শুনে আবার ভয় পেয়ে গেলেন নাকি? নিশ্চয়ই ভাবছেন, ওরে বাবা! ড্রাগন? এর মুখ দিয়ে কি আবার আগুন বের হয় নাকি? না বন্ধুরা, চিন্তার কোন কারণ নেই। নাম ড্রাগন হলেও এটি খুবই ছোট্ট আর নিরীহ প্রাণী। আকারে ২০-২৪ সেমি এর চেয়ে বড়ো হয় না। আসলে এটির নামকরণ করা হয়েছে চীনের পৌরাণিক কাহিনীতে বর্ণিত এক কাল্পনিক ড্রাগনের নামে। কেননা এটি দেখতে সত্যি সত্যিই সেই ড্রাগনেরই মতো। আর সমুদ্রে থাকে বলেই এর নাম সি ড্রাগন। সি ড্রাগনের পুরো গা থেকেই পাতার মতো কিছু অংশ বেরিয়ে থাকে। এজন্যই এটির নাম লিফি সি ড্রাগন। তবে এসব পাতার মতো অংশ কিন্তু এর শরীরেরই এক একটা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। এগুলোর সাহায্যে এরা সমুদ্রের তলদেশ আঁকড়ে ধরে রাখে, চলাফেরা করে আর খাবার খায়। তবে অদ্ভুত অথচ মজার ব্যপারটা কি জানো? লিফি সি ড্রাগনের খাবার খাওয়ার পদ্ধতিটা কিন্তু একেবারেই সাধারণ নয়। কেননা মানুষ কিংবা অন্যান্য প্রাণীদের মতো এদের দাঁত কি পাকস্থলী কোনটাই নেই। তাহলে ওরা খাবার খায় কিভাবে? আর খায়ই বা কী? আসলে এরা এক বিশেষ পদ্ধতিতে খাবার খায়। আর সে পদ্ধতিতে খেতে ওদের না লাগে মুখ, না লাগে পাকস্থলী। এদের খাদ্য হচ্ছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণীকণা আর বিশেষ এক ধরণের চিংড়ি।
স্বদেশী ডলফিন আর তিমিদের রাজ্যে
যদিও ডলফিনদের দেখলে মাছ বলেই মনে হয়, তারপরও ওরা কিন্তু মোটেও মাছ নয়। ওরা মাছদের মতো পানিতে সাঁতার কাটে বটে, কিন্তু মাছদের মতো ডিম পাড়ে না। পানির মধ্যে যতোগুলো প্রাণী আছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগামী প্রাণীও কিন্তু এই ডলফিনই। মানে পানিতে মাছ বাদে আর যারা যারা থাকে, তাদের মধ্যে ওরাই সবচেয়ে দ্রুত সাঁতার কাটতে পারে। অনেক সুন্দর সুন্দর ডলফিন কিন্তু বাস করে আমাদের দেশের নদী আর সাগরে। আমাদের দেশে তো নদীর অভাব নেই, আবার দক্ষিণেই রয়েছে বঙ্গোপসাগর। সুন্দরবনের আশেপাশের নদীগুলো আর সমুদ্রেও এদের অবাধ বিচরণ। শুধু কি ডলফিনই রয়েছে আমাদের নদী সমুদ্রে! আরো আছে তিমি মাছ। কি বিশ্বাস হচ্ছে না! সত্যিই কিন্তু আমাদের সাগরেও অনেক তিমি রয়েছে। অবাক হচ্ছেন! ঠিক আছে তিমির কথাও বলবো তার আগে খানিক ডলফিনের কথা বলি।
নৌকা বা ট্রলারে করে যাবার সময় হঠাৎ করেই আপনার চোখে পরে যেতে পারে ডলফিনের লাফ দেবার সুন্দর দৃশ্য। এমনকি আপনার নৌকার পাশেই সাঁতার কেটে কেটে হয়ে যেতে পারে আপনার যাত্রাসঙ্গীও। হঠাৎ করেই লাফ দিয়ে ভুস করে ডুব দিয়ে হয়তো একেবারেই নিখোঁজ হয়ে যাবে। মনে হবে যেন লুকোচুরি খেলছে আপনার সঙ্গে। আপনি যদি এগুলোকে না চিনে নৌকার মাঝিকে জিজ্ঞেস করেন এদের সম্পর্কে; তারা বলবে, ‘এগুলো তো শুশুক’।
আমাদের দেশের নদীতে এমনি অনেক শুশুকের বাস। এই শুশুকও কিন্তু আদতে ডলফিনই। আমাদের দেশে সাধারণত ছয় ধরনের ডলফিন দেখা যায়। তারমধ্যে শুশুকের নামতো আপনারা শুনলেনই। আরো আছে ইরাবতি ডলফিন, গোলাপী ডলফিন, স্পিনার ডলফিন, স্পটেড ডলফিন আর বটলনোজ ডলফিন।
নৌকা বা ট্রলারে করে যাবার সময় হঠাৎ করেই আপনার চোখে পরে যেতে পারে ডলফিনের লাফ দেবার সুন্দর দৃশ্য। এমনকি আপনার নৌকার পাশেই সাঁতার কেটে কেটে হয়ে যেতে পারে আপনার যাত্রাসঙ্গীও। হঠাৎ করেই লাফ দিয়ে ভুস করে ডুব দিয়ে হয়তো একেবারেই নিখোঁজ হয়ে যাবে। মনে হবে যেন লুকোচুরি খেলছে আপনার সঙ্গে। আপনি যদি এগুলোকে না চিনে নৌকার মাঝিকে জিজ্ঞেস করেন এদের সম্পর্কে; তারা বলবে, ‘এগুলো তো শুশুক’।
আমাদের দেশের নদীতে এমনি অনেক শুশুকের বাস। এই শুশুকও কিন্তু আদতে ডলফিনই। আমাদের দেশে সাধারণত ছয় ধরনের ডলফিন দেখা যায়। তারমধ্যে শুশুকের নামতো আপনারা শুনলেনই। আরো আছে ইরাবতি ডলফিন, গোলাপী ডলফিন, স্পিনার ডলফিন, স্পটেড ডলফিন আর বটলনোজ ডলফিন।
নিক ভিজিছিক ।। Nick Vujicic
![]() |
| সাঁতার কাটছেন |
ভেবে দেখুনতো একটি শিশু যদি হাত কিংবা পা ছাড়া জন্ম গ্রহন তাহলে ব্যপারটা কেমন দাড়ায়। কোন হাত নেই কাউকে জড়িয়ে ধরার, কারো হাতের একটু স্পর্শ পাবার অথবা কারো হাত ধরে সামনের দিকে এগিয়ে যাবার। বলুনতো সেই মানুষটির যদি কোন পা না থাকে তাহলে কী হতে পারে। চিন্তা করে দেখুন সেই মানুষটির কথা যে জীবনে কোন দিন আনন্দে নাচতে পারবে না, হাটতে পারবে না, দৌড়াতে পারবে না এবং দু’পায়ে ভর দিয়ে দাড়াতে পারবে না। পুরো ব্যপারটি যদি একজন মানুষের ক্ষেত্রে হয় তাহলে কেমন হয়? যার দু’হাত নেই, দু’পা নেই। তাহলে সে মানুষটির কাছে জীবনের মানে কী দাড়াতে পারে। জীবনকে নিয়ে সে মানুষটির স্বপ্ন দেখা কী উচিত? সে কী সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে এতো সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে? প্রিয় পাঠক, চলুন যেনে নেই এমন একজন মানুষ সম্পর্কে যিনি আমাদের কাছে অনুকরনীয় ব্যক্তিত্ত হতে পারেন কারন আমাদের হাত আছে, পা আছে। তাছাড়া আমাদের ১৬ কোটি জনসংখ্যার ছোট এই দেশটিতে অসংখ্য মানুষ রয়েছে যারা বিকলাঙ্গতায় ভুগছেন অর্থাৎ যাদের দু’হাত, দু’পা নেই। যারা স্বপ্ন দেখতে পারে না, সামনের দিকে এগিয়ে যা্ওয়ার জন্য কারো উৎসাহ পায় না, জীবনটাই যাদের কাছে অভিশাপ।
ইয়েতি রহস্য ।। Yeti Mystery
‘ইয়েতি’ নামটা অপরিচিত লাগছে? কেনো, ‘তিব্বতে টিনটিন’ বুঝি আপনাদের পড়া নেই? এখন খুব মনে পড়ছে, তাই না? হিমালয় পর্বতমালায় বসবাস করা মানুষের মতো দু’পেয়ে কিন্তু ইয়া বড়ো এক আজব প্রাণীর নামই হচ্ছে, 'ইয়েতি'। তবে ওদেরকে কিন্তু হালকাভাবে নিবেন না, ওরা যাকে বলে রীতিমতো কিংবদন্তী! হিমালয়ের এই কিংবদন্তীর প্রাণীটাকে নিয়ে যে কতো গবেষণা আর জল্পনা-কল্পনা করা হয়েছে! কিন্তু, মজা কি জানেন? এই ইয়েতিরা আসলেই আছে কি নেই এ ব্যাপারে কিন্তু কখনোই নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হবেটাই বা কী ভাবে? ওদেরকে যে এখনো সেভাবে দেখা-ই যায়নি! আর বিজ্ঞানীরাও ওদের ব্যাপারে একমত হতে পারেননি। কোনো বিজ্ঞানী বলেন, ইয়েতিরা অবশ্যই আছে। নইলে অমন বড়ো বড়ো পায়ের ছাপ এলো-ই বা কোত্থেকে? আবার অন্য বিজ্ঞানীরা বলেন, ধুর! ওসব গাঁজাখুরি গল্প। ইয়েতি না ছাই! তবে, ইয়েতি যে আছে, এটা যেমন এখনো প্রমাণ করা যায়নি, তেমনি যারা বলে ইয়েতি নেই, ওসব ফালতু গল্প, তারাও কিন্তু খুব একটা নিশ্চিত হয়ে বলতে পারেন না যে ইয়েতিরা আসলেই নেই। ইয়েতি যদি সত্যি সত্যিই না থাকে, তাহলে এত্তো দিন হয়ে গেলো, তবু ওদের গল্প শেষ হচ্ছে না কেন বলো তো? সেটাইতো কথা! চলেন তাহলে, আজকে আমরা ইয়েতিদের যত্তো গল্প, সব শুনে আসি। আর ওদিকে বিজ্ঞানীরা ঝগড়া করুন, তারপর বের করুনঃ ইয়েতিরা আসলেই আছে, নাকি মৎসকন্যাদের মতো ইয়েতিও প্রাচীন মানুষের এক অমর কল্পনা।
প্রথমে আসা যাক ওদের নামের ব্যাপারটায়। ‘ইয়েতি’ নামটা এসেছে তিব্বতি ভাষা থেকে; বাংলা করলে অনেকটা হয় ‘পাথুরে ভল্লুক’! হিমালয়ের মানুষরা আগে বলতো, ইয়েতিরা নাকি সারাক্ষণ বিশাল একটা পাথর নিয়ে ঘুরে বেড়াতো, আত্মরক্ষা নয়তো শিকার করার জন্য। আর শিস দেয়ার মতো এক রকম শব্দ করতো। আর ওই পাথর নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্যই হয়তো ওদের নাম দিয়ে ছিলো পাথুরে ভল্লুক বা ইয়েতি। ওদের এই ‘ইয়েতি’ নামটা জনপ্রিয় হয়ে গেলেও ওদের কিন্তু আরো অনেকগুলো মজার মজার নাম আছে। এই যেমনঃ ‘মেহ-তেহ’, মানে হলো মানুষ-ভল্লুক! আবার ‘মি-গো’, মানে বনমানুষ! তারপর ‘ক্যাং আদমি’ বা 'তুষারমানব', ‘জোব্রান’ বা 'মানুষখেকো'।
নাম গুলো শুনেই তো বুঝতে পারছেন, আগেকার মানুষ ইয়েতিদের যেমন ভয় পেতো, তেমনই শ্রদ্ধাও করতো। ভয় পেতো দেখেই না অনেকে নাম দিয়েছিলো মানুষ খেকো। আবার যারা নাম দিয়েছিলো মানুষ-ভল্লুক, তারা কি আর শ্রদ্ধা না করে, ভালো না বেসে এমনি এমনি এমন সুন্দর নাম দিয়েছিলো! হিমালয়ের স্থানীয় কিছু মানুষ তো যাকে বলে ইয়েতিদের এক রকম পূজাই করতো। ইয়েতি ছিলো ওদের শিকারের দেবতা। শুধু তাই না, ওদের বিশ্বাস ছিলো, ইয়েতিদের রক্ত জাদুবিদ্যাতেও দরকারি!
নাম গুলো শুনেই তো বুঝতে পারছেন, আগেকার মানুষ ইয়েতিদের যেমন ভয় পেতো, তেমনই শ্রদ্ধাও করতো। ভয় পেতো দেখেই না অনেকে নাম দিয়েছিলো মানুষ খেকো। আবার যারা নাম দিয়েছিলো মানুষ-ভল্লুক, তারা কি আর শ্রদ্ধা না করে, ভালো না বেসে এমনি এমনি এমন সুন্দর নাম দিয়েছিলো! হিমালয়ের স্থানীয় কিছু মানুষ তো যাকে বলে ইয়েতিদের এক রকম পূজাই করতো। ইয়েতি ছিলো ওদের শিকারের দেবতা। শুধু তাই না, ওদের বিশ্বাস ছিলো, ইয়েতিদের রক্ত জাদুবিদ্যাতেও দরকারি!
বিভিন্ন প্রজাতির কবুতর ।। Different Breeds Of Pigeon
কবুতর নামটির সাথে কে না পরিচিত। আদি কালে যোগাযোগ ব্যাবস্থায় এদের অবদান এড়িয়ে যাবার কোন উপায় নেই। কেননা তখন দুরের খবর এরা বয়ে নিয়ে আসত পায়ে বেঁধে। এমন কি আমাদের ইসলাম ধর্মেও আছে কবুতরের কথা। কি মনে পরছেনা! মহা প্রাবনের কথা নিশ্চই মনে আছে। হযরত নূহ (আঃ) এর সময় এই মহাপ্রাবন হয়েছিল এবং মহা প্লাবন শেষে যখন তিনি একটি কবুতরকে ছেড়ে দেন তখন সেটি একটি গাছের ছোট একটি ডাল নিয়ে এসেছিল। এখন নিশ্চই মনে পরেছে। এই কবুতর দেখতে যেমন অনেক সুন্দর ঠিক তেমনি আমাদের এই ধরনিতে আছে এর কয়েকটা প্রজাতি। আমরা সকল প্রজাতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব কিন্তু তার আগে NPA সম্পর্কে জেনে নেই।
ডাকটিকিট আর পোস্টকার্ড ।। Stamps & Postcards
আপনারা কেউ কি ডাকটিকিট জমান? কিংবা পোস্টকার্ড? অনেকেই হয়তো জমান না। কিন্তু আপনাদের আব্বু আম্মু, কিংবা বড়ো ভাই বোনদের জিজ্ঞেস করে দেখো, তারা ঠিকই ডাকটিকিট নয়তো পোস্টকার্ড জমাতো। এখন তো তোমরা আর চিঠিও লেখেন না, পোস্টকার্ডও পাঠান না। তাই এগুলো জমানোর যে কত্তো মজা, তাও আপনারা জানো না। কিন্তু জানো, পৃথিবীতে এখনো মানুষের শখের তালিকায় এগুলো উপরের দিকেই আছে। ঠিকঠিক করে বললে, ডাকটিকিট আর পোস্টকার্ড জমানো শখের তালিকায় ৩ নম্বরে আছে। শুধু তাই নয়, এগুলোর উপর আলাদা একটা শাস্ত্রও আছে, নাম ‘ডেলটিওলোজি’। ডেলটিওলোজিতে মূলত পোস্টকার্ড নিয়ে পড়াশোনা করা হয়। আমরা ডাকটিকিট আর পোস্টকার্ড কিভাবে জন্ম নিলো, সেই গল্প শুনে আসি।
বামন প্রাণীদের গল্প
প্রতিদিনই তো আপনারা হাজার হাজার পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গ দেখে থাকেন, তাই না? সত্যি সত্যি না দেখলেও টেলিভিশনে তো নিশ্চয়ই দেখেন। ডিসকভারি নয়তো ন্যাশনাল জিওগ্রাফি চ্যানেল খুললেই তো কতো রকমের পশু-পাখি আর কীট-পতঙ্গ যে দেখা যায় তার কোনো ইয়ত্তা নেই। এসব জীবজন্তুদের দেখতে কিন্তু বেশ ভালোই লাগে, তাইনা? আর এদের কাজ কারবারও অনেক মজার। তবে সবচাইতে ভালো দিকটা হচ্ছে আমরা এসব প্রাণীদের আচার আচরণ আর জীবনযাত্রা সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পারি। আজকে আপনাদের জ্ঞানের ভান্ডারে আরও কিছু নতুন তথ্যের সংযোজন করে নেন। আজকে আমরা জানবো কিছু বামন প্রাণীদের সম্পর্কে।
হ্যাঁ, আমাদের মধ্যেও যেমন কিছু মানুষ বা জাতি আছে, যাদের উচ্চতা হয় অন্যদের তুলনায় কম, তেমনি প্রাণীদের মধ্যেও আছে। তবে আপনাদের মধ্যে যারা একটু বেঁটে, তাদের নিয়ে আবার হাসাহাসি কইরেন না যেনো। তার আগে এটুকু জেনে রাখেন, আমরা বাঙালিরাও কিন্তু গড় উচ্চতায় বেশ খাটো জাতি। এখন তারচেয়ে বরং চলেন, ঐ বামন প্রাণীদের গল্প শুনে আসি।
হ্যাঁ, আমাদের মধ্যেও যেমন কিছু মানুষ বা জাতি আছে, যাদের উচ্চতা হয় অন্যদের তুলনায় কম, তেমনি প্রাণীদের মধ্যেও আছে। তবে আপনাদের মধ্যে যারা একটু বেঁটে, তাদের নিয়ে আবার হাসাহাসি কইরেন না যেনো। তার আগে এটুকু জেনে রাখেন, আমরা বাঙালিরাও কিন্তু গড় উচ্চতায় বেশ খাটো জাতি। এখন তারচেয়ে বরং চলেন, ঐ বামন প্রাণীদের গল্প শুনে আসি।
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন
আজ আপনাদের নিয়ে যাবো অদ্ভূত এক দেশে। রুক্ষ পাথরে গড়া সে দেশে খালি পাহাড় আর পাহাড়। তাও সাধারণ পাহাড় নয়, বিচিত্র সব রঙের বিচিত্র সব পাহাড়। ভাবছেন, পাহাড় আবার হরেক রঙের হয় কিভাবে! সত্যিই কিন্তু তা-ই। সে দেশে আর আছে শুধু গিরিখাত। নিশ্চয়ই চিন্তায় পড়ে গেলে, এই গিরিখাত জিনিসটা আবার কি? দাঁড়ান, বুঝিয়ে বলছি। এক কথায় যদি জানতে চাও, তাহলে বলবো গিরিখাত হচ্ছে পাহাড়ের গায়ের ফাটল। তবে সাধারণ বা ছোটোখাটো ফাটল নয়, বিশাল বিশাল ফাটল। এতোই বিশাল যে, কিছু কিছু জায়গায় এসব ফাটল মাইলখানেক চওড়া পর্যন্ত হয়ে থাকে! আর এসব ফাটল কিন্তু একদিনে তৈরি হয়না। কোটি কোটি বছর ধরে আস্তে আস্তে তৈরি হয় এসব ফাটল বা গিরিখাত। এমনকি আজকে আমরা যে গিরিখাতটির গল্প শুনবো সেটিও প্রায় ১৭ মিলিয়ন অর্থাৎ কিনা ১ কোটি ৭০ লক্ষ বছর পার করেছে আজকের অবস্থায় আসতে। পাথুরে পাহাড় আর গিরিখাতের অসম্ভব সুন্দর এই রাজ্যটির নাম ‘দ্য গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন’।
ইনকার হারিয়ে যাওয়া তিন দেবদূত ।। Inka's Lost Three Angel
রহস্যের এক অদ্ভূত জগতের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মিসরীয় সভ্যতার পিরামিড, ইনকা সভ্যতার মাচুপিচু, কুজকোর ইতিহাস। পিরামিড, ইনকাদের স্থপত্য, মমি প্রতিটি শব্দই আমাদের মনে কী যেন এক রোমাঞ্চের জন্ম দেয়। বিশেষ করে ‘মমি’ শব্দটি শুনলেই অজানা এক রহস্যের জাল মনের মধ্যে বোনা হতে শুরু করে। রহস্যের দুনিয়ার সবার ওপরে রাজা তুতেনখামেনের মমি। ফারাও রাজবংশের তরুণ রাজা ছিলেন তুতেনখামেন। মাত্র নয় বছর বয়সে রাজা হয়ে রাজা তুত রাজত্ব করেন মাত্র ১০ বছর। মিসরের যত প্রাচীন মমি পাওয়া গেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে প্রাচুর্যময় হলো তুতেনখামেনের মমি।
ভয়ঙ্কর সুন্দর সব জলপ্রপাত ।। Most Beautiful Waterfalls
জলপ্রপাত দেখতে পছন্দ করো না। আপনাদের অনেকেই হয়তো আমাদের দেশের জলপ্রপাত মাধবকুণ্ড দেখেও এসেছেন। আর যারা সুযোগ পেয়েছেন, তারা তো মনে হয় বিদেশের বিখ্যাত সব জলপ্রপাতগুলোও দেখে এসেছেন। আর জানেন তো, আমাদের দেশে যে নতুন একটা জলপ্রপাত আবিষ্কৃত হয়েছ, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ওই জলপ্রপাতটির নাম ‘হাম হাম’ জলপ্রপাত। ভাবছেন, সবকিছু ছেড়েছুড়ে হঠাৎ জলপ্রপাতের পিছে লাগলাম কেন? আরে, ২৬ নভেম্বর যে বিশ্ব জলপ্রপাত দিবস!
আচ্ছা, জলপ্রপাত জিনিসটা কি? জলপ্রপাত হচ্ছে উঁচু থেকে পড়া পানির স্রোত। পাহাড় থেকে বা অনেক উঁচু থেকে পানির এই স্রোত যখন হুড়মুড় করে নিচে এসে পড়ে, তখন তাকে বলে জলপ্রপাত। মানে অনেক উঁচু ঝরনা আরকি! নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন জাগছে, এই পানিটা আসে কোত্থেকে? দাঁড়ান, বলছি। পৃথিবীর বেশিরভাগ বড় বড় জলপ্রপাতের জন্ম হয়েছে কোনো না কোনো নদী থেকে। এই যেমন ধরেন, নায়াগ্রা জলপ্রপাতের উৎপত্তি হয়েছে নায়াগ্রা নদী থেকে। আবার জাম্বেসি নদী থেকে সৃষ্টি হয়েছে ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতের। তবে নদী ছাড়াও বরফগলা পানির স্রোত, হ্রদ অথবা মাটির নিচ থেকে উঠে আসা পানি থেকেও তৈরি হতে পারে জলপ্রপাত। আমাদের দেশে যে দু’টো জলপ্রপাত আছে, সে তো বলেছিই। তবে সত্যি কথা বলতে কি, আমাদের দেশের এই জলপ্রপাত দুটি একেবারেই বাচ্চা আকৃতির জলপ্রপাত। সারা পৃথিবীজুড়ে এর চেয়েও আরো কতো বিশাল বিশাল আর জলপ্রপাত যে আছে! সে সব জলপ্রপাতের সামনে দাঁড়িয়ে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে হয়। দানবের মত গর্জন করে এসব জলপ্রপাতের পানি আছড়ে পড়ছে অ-নে-ক নিচে। আর ঝাঁপিয়ে পড়া পানির কণাগুলো বাষ্পে পরিণত হয়ে নয়তো ছড়িয়ে ছিটিয়ে সৃষ্টি করছে ধোঁয়া। অসাধারণ সে সব দৃশ্য। কী, আর লোভ সামলাতে পারছো না? তাহলে আর দেরি করে লাভ কি? চলেন এবার ঘুরে আসি পৃথিবীজুড়ে বিখ্যাত এমনি কয়েকটি জলপ্রপাত থেকে।
আচ্ছা, জলপ্রপাত জিনিসটা কি? জলপ্রপাত হচ্ছে উঁচু থেকে পড়া পানির স্রোত। পাহাড় থেকে বা অনেক উঁচু থেকে পানির এই স্রোত যখন হুড়মুড় করে নিচে এসে পড়ে, তখন তাকে বলে জলপ্রপাত। মানে অনেক উঁচু ঝরনা আরকি! নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন জাগছে, এই পানিটা আসে কোত্থেকে? দাঁড়ান, বলছি। পৃথিবীর বেশিরভাগ বড় বড় জলপ্রপাতের জন্ম হয়েছে কোনো না কোনো নদী থেকে। এই যেমন ধরেন, নায়াগ্রা জলপ্রপাতের উৎপত্তি হয়েছে নায়াগ্রা নদী থেকে। আবার জাম্বেসি নদী থেকে সৃষ্টি হয়েছে ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতের। তবে নদী ছাড়াও বরফগলা পানির স্রোত, হ্রদ অথবা মাটির নিচ থেকে উঠে আসা পানি থেকেও তৈরি হতে পারে জলপ্রপাত। আমাদের দেশে যে দু’টো জলপ্রপাত আছে, সে তো বলেছিই। তবে সত্যি কথা বলতে কি, আমাদের দেশের এই জলপ্রপাত দুটি একেবারেই বাচ্চা আকৃতির জলপ্রপাত। সারা পৃথিবীজুড়ে এর চেয়েও আরো কতো বিশাল বিশাল আর জলপ্রপাত যে আছে! সে সব জলপ্রপাতের সামনে দাঁড়িয়ে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে হয়। দানবের মত গর্জন করে এসব জলপ্রপাতের পানি আছড়ে পড়ছে অ-নে-ক নিচে। আর ঝাঁপিয়ে পড়া পানির কণাগুলো বাষ্পে পরিণত হয়ে নয়তো ছড়িয়ে ছিটিয়ে সৃষ্টি করছে ধোঁয়া। অসাধারণ সে সব দৃশ্য। কী, আর লোভ সামলাতে পারছো না? তাহলে আর দেরি করে লাভ কি? চলেন এবার ঘুরে আসি পৃথিবীজুড়ে বিখ্যাত এমনি কয়েকটি জলপ্রপাত থেকে।
বুধ গ্রহ ।। Mercury
বুধ গ্রহের ইংরেজী নাম Mercury বা মার্কিউরী। বুধ হচ্ছে সূর্যের নিকটতম গ্রহ। সূর্যের খুব কাছে হওয়ার ফলে বুধ পৃষ্ঠ থেকে সূর্যের দিকে তাকালে সূর্যকে পৃথিবীতে যত বড় দেখায় তার চেয়ে আড়াইগুণ বড় দেখা যাবে। সেই সাথে সৌরজগতের সবচাইতে ক্ষুদ্রতম গ্রহ হচ্ছে এই বুধ গ্রহ। এই কারণে বুধের মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও অনেক কম, পৃথিবীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। ফলে পৃথিবীতে যদি আপনার ওজন ৭০ কেজি হয় তাহলে বুধে আপনার ওজন হবে প্রায় ২৩ কেজি। বুধগ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই। গ্রহটির কোনও স্থিতিশীল বায়ুমণ্ডলও নেই। এটি সূর্যকে প্রতি ৮৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে অর্থাৎ পৃথিবীর হিসাবে মাত্র ৮৮ দিনেই বুধের ১বছর পূর্ন হয়ে যায়, যেখানে পৃথিবীর লাগে ৩৬৫দিন। বুধ দীর্ঘ ১৭৬ দিনে একবার নিজ অক্ষে আবর্তন করে, অর্থাৎ পৃথিবীর ১৭৬ দিনে বুধের ১ দিন সম্পন্ন হয়, যখানে পৃথিবীর সময় লাগে মাত্র ২৪ ঘন্টা।। অন্যদিকে এর উজ্জ্বলতার আপাত মান ২.০ থেকে ৫.৫ পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর আয়তন অন্যাতন্ত ক্ষুদ্র ও সূর্যের খুব নিকটে হওযায় পৃথিবী থেকে একে খালি চোখে অত্যান্ত কঠিন। সুর্যের সাথে এর বৃহত্তম কৌণিক দূরত্ব হচ্ছে মাত্র ২৮.৩ ডিগ্রী। তাই শুধু মাত্র সকাল ও সন্ধ্যায় একে দেখাতে পাওয়ার ক্ষিন সম্ভাবনা থাকে। বুধ গ্রহটি সম্বন্ধে তুলনামূলক অনেক কম তথ্য জানা গেছে। কারণ এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র দুটি অভিযান চালানো হয়েছে বুধের দিকে। এই দুটি অভিজানের একটি হচ্ছে, নভোযান “মেরিনার ১০”, যা ১৯৭৪-১৯৭৫ সালে অভিযান চালায়। আর আরেকটি হচ্ছে, “মেসেঞ্জার” যা ২০০৪ সালের আগস্টের ৩ তারিখে প্রেরিত হয়। অপর আরেকটি অভিজানের প্রস্তুতি চলছে, জাপান ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির সাথে যৌথভাবে একটি অভিযানের পরিকল্পনা করছে যা বেপিকলম্বো নামে পরিচিত। এটি ২০১৩ সালে প্রেরন করা হবে বুধের উদ্দেশ্যে।
ভয়ংকর যতো হাঙ্গর
হাঙরের নাম শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভয়াবহ এক দৃশ্য ভেসে ওঠে। হিংস্র মাংসাশী এক জলজ প্রাণী, তার ভয়ানক দাঁতগুলো বের করে ছুটে আসছে। আর তারপর বিশাল এক কামড়ে ছিঁড়ে ফেলছে মানুষের একটা হাত, পা অথবা শরীরের অন্য কোনো অংশ। রক্তে লাল হয়ে গেছে সমুদ্রের পানি। উফ, কী ভয়াবহ! ভাবতেই তো গা শিউরে ওঠে, তাই না? আসলে সিনেমাগুলোতে এভাবেই তো হাঙরগুলোকে উপস্থাপন হয়। তাই হাঙরের কথা শুনলেই আমাদের মনে এরকম একটা চিত্র ভেসে ওঠে। আসলে হাঙরগুলোকে যতোটা ভয়ঙ্করভাবে দেখানো হয়, এরা আসলে ততোটা ভয়ংকর নয়। বরং এরাই আজকাল মানুষের ভয়ে সর্বদা অস্থির হয়ে থাকে। কখন কোনদিক থেকে যে মানুষের হাতে শিকার হয়ে যায় সারাক্ষণ এই ভয়েই থাকতে হয় বেচারাদের। বেশিরভাগ হাঙরই নিরীহ প্রজাতির। তবে ভয়ংকর হাঙর যে একদমই নেই তা নয়। এক হিসাব অনুযায়ী, গত ৪০০ বছরে মানুষের উপর হাঙরের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে মাত্র ১২০০ বা তারও কম। অথচ বাংলাদেশে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে এরচেয়েও কয়েক গুণ বেশি। তাহলেই বলো, ওরা মানুষকে আর এমন কী-ই বা আক্রমণ করে!
সব মিলিয়ে প্রায় ৩৭০ প্রজাতির হাঙর আছে সমুদ্রে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকারের হাঙরটির নাম ‘হোয়েল শার্ক’, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০ ফুট। আর সবচেয়ে ছোট আকৃতির হলো ‘স্পাইন্ড পিগমি শার্ক’, যেগুলো লম্বায় মাত্র ৬ ইঞ্চি। এখন আপনিই বলেন, এই ৬ ইঞ্চি একটা হাঙরের পক্ষে কি একটা আস্ত মানুষকে কামড়ে খেয়ে ফেলা সম্ভব!
সব মিলিয়ে প্রায় ৩৭০ প্রজাতির হাঙর আছে সমুদ্রে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকারের হাঙরটির নাম ‘হোয়েল শার্ক’, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০ ফুট। আর সবচেয়ে ছোট আকৃতির হলো ‘স্পাইন্ড পিগমি শার্ক’, যেগুলো লম্বায় মাত্র ৬ ইঞ্চি। এখন আপনিই বলেন, এই ৬ ইঞ্চি একটা হাঙরের পক্ষে কি একটা আস্ত মানুষকে কামড়ে খেয়ে ফেলা সম্ভব!
বার্লিন দেয়ালের ।। Berlin Wall
১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট। এদিন হঠাৎই যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত ঘটলো জার্মানীর শহর- বার্লিনের অধিবাসীদের উপরে। বিষয়টা কী? পূর্ব জার্মানী আর পশ্চিম জার্মানীর মাঝে সীমানা প্রাচীর তৈরি করে দুই জার্মানীকে আলাদা করে ফেলা হবে। ভাবছেন, এতে আবার বিনা মেঘে বজ্রপাত হবে কেন? আরে, এভাবে বার্লিন শহরের ওপরে প্রাচীর তৈরি করে দুই জার্মানীকে আলাদা করে ফেলা হবে, একথা বার্লিনবাসী ঘূণাক্ষরেও কল্পনা করেনি। এই প্রাচীরের কারণেই যে বহু পরিবারের সদস্যরা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল পরস্পর থেকে। পশ্চিম বার্লিন পরিণত হয়েছিল পূর্ব জার্মানীর একটি ছিটমহলে। চিন্তা করে দেখেন, আপনার আত্মীয়-স্বজন কিংবা যে বন্ধুর সঙ্গে আগের দিন বিকেলবেলা দেখা করলে, পরদিন থেকে তাকে যদি আর দেখতে না পান শুধুমাত্র একটা দেয়ালের কারণে, কেমন লাগবে আপনার? পশ্চিম আর পূর্ব বার্লিনবাসীদেরও মনের অবস্থা হয়েছিল তেমনই। অবশ্য ২৮ বছর পর ১৯৮৯ সালে এই প্রাচীর ভেঙেও ফেলতে হয়েছিলো। দুই বার্লিনকেও এক করে ফেলা হয় তখন। আজ চলেন এই বার্লিন প্রাচীরের কিছু কথা শুনে আসি।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)





.jpg)













.jpg)







